দৈনন্দিন জীবনে স্বামী বিবেকানন্দের ভক্তিযোগের প্রাসঙ্গিকতা

সুকান্ত সরকার
সহকারী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ
শেঠ আনন্দরাম জয়পুরিয়া কলেজ
philosukanta84@gmail.com



Submitted on: 14.11.2025
Accepted on: 28.06.2026



সারাংশঃ স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার এক মহান পুরুষ, যাঁর জীবন এবং শিক্ষা সবসময়ই আমাদের প্রেরণার উৎস। তাঁর দর্শন এবং আদর্শে ভক্তিযোগের একটি গভীর স্থান রয়েছে, যা শুধুমাত্র আধ্যাত্মিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাস্তব জীবনের নানা দিকেও এর প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে। ভক্তিযোগ মানুষের আধ্যাত্মিক পরিপূর্ণতা অর্জন, দৈনন্দিন জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করার পথ প্রদর্শক। তাঁর মতে, ভক্তি কোনও বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান বা ধর্মীয় পদ্ধতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি অন্তর্দৃষ্টি, একটি গভীর অন্তর্মুখী অনুভূতি, যা আমাদের আত্মা এবং ঈশ্বরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। তিনি বলেন, "ঈশ্বরের সঙ্গে একাত্মতা আসবে না, যতক্ষণ না আমরা আমাদের হৃদয়কে তাঁর প্রতি সম্পূর্ণভাবে নিবেদিত করি।" এই দৃষ্টিকোণ থেকে, ভক্তিযোগ শুধু মনের শান্তি এবং আত্মবিশ্লেষণের জন্য নয়, বরং ঈশ্বরের সঙ্গে একাত্মতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ। এর মাধ্যমে একজন ভক্ত তাঁর অন্তরকে বিশুদ্ধ করে, এবং সর্বোপরি ঈশ্বরের প্রেমে একাত্ম হয়ে ওঠে।

স্বামী বিবেকানন্দের মতে, ভক্তিযোগ শুধুমাত্র আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এটির বিশাল প্রভাব রয়েছে। ভক্তিযোগের শিক্ষা মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, সদাচারিতা, দায়িত্বশীলতা, একাগ্রতা, একনিষ্ঠতা এবং কর্মের প্রতি ভক্তিভাব জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। এই ভক্তিভরা একাগ্র মনই পারে জীবকে তার লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে। বিবেকানন্দের মতে, সত্যিকারের ভক্তি একজন মানুষকে সমাজসেবা এবং মানবকল্যাণে নিযুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। তাঁর শিক্ষা অনুযায়ী, ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি শুধুমাত্র মন্দিরে নয়, প্রতিটি মানুষের মধ্যে, প্রতিটি মানুষের জন্য এবং প্রতিটি কাজের জন্য ভক্তি থাকা উচিত, তবেই তিনি আসল ভক্ত হবেন। স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্বাস করেন যে, এই ভক্তিই মানুষকে সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সহায়ক হতে পারে। এই প্রবন্ধে স্বামী বিবেকানন্দের ভক্তিযোগের আধ্যাত্মিক মহিমা দৈনন্দিন জীবনে বা ব্যবহারিক জীবনে কতটা গুরুত্ববাহী এবং তা আজকের পৃথিবীতে মানব জীবনে কতটা প্রাসঙ্গিক, তারই অনুসন্ধান এই গ্রন্থে করা হবে।

তথ্যসূত্র ও টীকা:

[১] ‘ভক্তিযোগে এক বিশেষ সুবিধা—উহা আমাদের চরম লক্ষ্য ঈশ্বরে পৌছাবার সর্বাপেক্ষা সহজ ও স্বাভাবিক প্রন্থা’।— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৫।
[২] পূর্ণ জ্ঞানের সহিত প্রকৃত ভক্তিও অভিন্ন। স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৬।
[৩] তমেবৈকং জানথ আত্মানমন্যা বাচো বিমুঞ্চথামৃতস্যেষ সেতুঃ।— মন্ডুকোপনিষৎ ২/২/৫।
[৪] অদ্বেষ্টা সর্বভূতানং মৈত্রঃ করুণা এব চ। ...অনিকেতঃ স্থিরমতির্ভক্তিমান্‌ মে প্রিয়ো নরঃ।— দ্বাদশ অধ্যায়ের ১৩–১৯তম শ্লোক, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—২৬–৪৩০।
[৫] যাঁহারা এমন এক অবস্থায় উপনীত হন, যেখানে সৃষ্টি সৃষ্ট বা স্রষ্টা নাই, যেখানে জ্ঞাতা জ্ঞেয় বা জ্ঞান নাই, যেখানে আমি তুমি বা তিনি নাই, যেখানে প্রমাতা প্রমেয় বা প্রমাণ নাই, সেখানে কে কাহাকে দেখে? এরূপ ব্যক্তি সব কিছুর বাহিরে গিয়াছেন, জাহাকে বাক্য অথবা মনও যাইতে পারে নয়া।’ এরূপ ব্যক্তি এমন স্থানে গিয়েছেন। ‘জাহাকে শ্রুতি ‘নেতি, নেতি’ বলিয়া বর্ননা করিয়াছেন। কিন্তু যাঁহারা এরূপ অবস্থা লাভ করিতে পারেন না বা এরূপ অবস্থায় যাইতে ইচ্ছা করেন না তাঁহারা সেই এক অবিভক্ত ব্রহ্মকে প্রকৃতি, আত্মা এবং ঐ উভয়ের অন্তর্যামী ঈশ্বর এই তিন রূপে বিভক্ত দেখিবেন।” — স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—১৩।
[৬] পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুস্কৃতম্‌। ধর্মাসংস্থাপনার্থায় সম্ভাবামি যুগে যুগে।। চতুর্থ অধ্যায়, অষ্টম শ্লোক, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—১৬৪।
[৭] আধ্যাত্মিক জীবনের উন্নতির পক্ষে গ্রন্থরাশি পর্যাপ্ত নয়। জীবাত্মার শক্তি জাগ্রত করিতে হইলে অপর এক আত্মা হইতে শক্তি সঞ্চারিত হওয়া আবশ্যক। স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—১৭।
[৮] তদ্বিজ্ঞানার্থন স গুরুমেবাভিগচ্ছেৎ সমিৎপানিঃ শ্রোত্রিয়ং ব্রহ্মনিষ্ঠম্‌। ১/২/১২— মন্ডুকোপনিষৎ।
[৯] নিজের মধ্যেই যদি শক্তি না থাকে, তিনি সঞ্চার করিবেন কী?।— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—২১।
[১০] ন নরেনাবরেণ প্রোক্ত এষ সুবিজ্ঞেয়ো বহুধা চিন্ত্যমানঃ।— ১/২/৮ কঠোপনিষৎ।
[১১] “গুরুর কৃপা হলে আর ভয় নাই। তিনি জানিয়ে দেবেন, তুমি কে, তোমার স্বরূপ কী। একটু সাধনা করলেই গুরু বুঝিয়ে দেন, এই এই। তখন সে নিজেই বুঝতে পারবে, কোনটা সৎ কোনটা অসৎ। ঈশ্বর সত্য, এ সংসার অনিত্য।” — অখণ্ড শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত, শ্রীমা-কথিত, প্রথম খন্ড, প্রকাশক স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা—৭০০০০৩। প্রথম সংস্করণ ১৯৮৬–১৯৮৭, ৪১তম পুনর্মুদ্রণ ফাল্গুন ১৪২১, মুদ্রক রমা আর্ট প্রেস, ৬/৩০ দমদম রোড কলকাতা—৭০০০৩০। পৃষ্ঠা সংখ্যা—২০০।
[১২] যে ভক্ত হইতে চায়, তাহার জানা উচিৎ, ‘যত মত তত পথ’—তাহার জানা উচিৎ, বিভিন্ন ধর্মসম্প্রদায় একই ভগবানের মহিমার বিভিন্ন বিকাশ মাত্র।— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৩০।
[১৩] “বিবেক, বিমোক, অভ্যাস, ক্রিয়া কল্যাণ, অনবসাদ ও অনুভবর্ষা থেকে ভক্তি লাভ করে”। স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৩২।
[১৪] প্রথমে একটু উঠে পরে লাগতে হয়। তারপর আর বেশী পরিশ্রম করতে হবে না। যতক্ষণ ঢেউ, ঝড়, তুফান, আর বাঁকের কাছ দিয়ে যেতে হয়, ততক্ষণ মাঝির দাঁড়িয় হাল ধরতে হয়, সেইটুকু পার হয়ে গেলে আর না। যদি বাঁক পার হোল আর অনুকূল হাওয়া বইল, তখন মাঝি আরাম করে বসে হালে হাতটা ঠেকিয়ে রাখে—তারপর পাল টাঙাবার বন্দোবস্ত করে, তামাক সাজতে বসে। কামেনী-কাঞ্চনের ঝড় তুফান গুলো কাটিয়ে গেলে তখন শান্তি”। অখণ্ড শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত, শ্রীমা-কথিত, প্রথম খন্ড, প্রকাশক স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা—৭০০০০৩। পৃষ্ঠা সংখ্যা—৬১।
[১৫] ‘ত্যাগই প্রকৃত ধর্ম, যখন যখন মানবাত্মা সংসারের সমুদায় বস্তু দূরে ফেলিয়া গভীর তত্তসমূহ অনুসন্ন্ধান করে, যখন চৈতন্যস্বরূপ মানব বুঝিতে পারে, দেহরূপ জড়ে বদ্ধ হইয়া জড় হইয়া যাইতেছি এবং ক্রমশঃ বিণাশের পথে অগ্রসর হইতেছি, তখনই সে জড় পদার্থ হইতে নিজের দৃষ্টি সরাইয়া লয়—তখনই ত্যাগ আরম্ভ হয়, তখনই প্রকৃত আধ্যাত্মিক উন্নতি আরম্ভ হয়।’— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৩৯।
[১৬] ‘ঈশ্বরপ্রেম ক্রমশঃ বর্ধিত হইয়া এমন একভাব ধারণ করে, যাহাকে পরাভক্তি বলে।’— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৪০।
[১৭] “সর্বধর্মান্‌ পরিত্যাজ্য মামেকং শরনং ব্রজ”।— অষ্টাদশ অধ্যায়, ৬৬তম শ্লোক, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৫৬৬।
[১৮] “ময্যাবেশ্য মনো যে মাং নিত্যযুক্তা উপাসতে। শ্রদ্ধায় পরয়োপেতাস্তে মে যুক্ততমা মতাঃ।” — দ্বাদশ অধ্যায়ের দ্বিতীয় সূত্র, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৪১৬।

মূল শব্দঃ ভক্তিযোগ, ভক্তি, সংযম, একাগ্রতা, একনিষ্ঠতা, মুক্তি, আত্মস্বরূপ, ঈশ্বরস্বরূপ, ইষ্টসাধনা, আধ্যাত্মিকতা, ব্যবহারিক জীবন/দৈনন্দিন জীবন

Download Pdf

How to Cite

APA 7th Edition

Sarkar, S. (2026). Dainandin Jibane Swami Vivekanander Bhaktiyoger Prasangikata. Antarvidya, 2(1), 94–103. https://doi.org/10.66182/antarvidya.v2.i1.010.2026

MLA 9th Edition

Sarkar, Sukanta. “Dainandin Jibane Swami Vivekanander Bhaktiyoger Prasangikata.” Antarvidya, vol. 2, no. 1, June 2026, pp. 94–103. https://doi.org/10.66182/antarvidya.v2.i1.010.2026