[১]
‘ভক্তিযোগে এক বিশেষ সুবিধা—উহা আমাদের চরম লক্ষ্য ঈশ্বরে পৌছাবার সর্বাপেক্ষা সহজ ও স্বাভাবিক প্রন্থা’।— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৫।
[২]
পূর্ণ জ্ঞানের সহিত প্রকৃত ভক্তিও অভিন্ন। স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৬।
[৩]
তমেবৈকং জানথ আত্মানমন্যা বাচো বিমুঞ্চথামৃতস্যেষ সেতুঃ।— মন্ডুকোপনিষৎ ২/২/৫।
[৪]
অদ্বেষ্টা সর্বভূতানং মৈত্রঃ করুণা এব চ। ...অনিকেতঃ স্থিরমতির্ভক্তিমান্ মে প্রিয়ো নরঃ।— দ্বাদশ অধ্যায়ের ১৩–১৯তম শ্লোক, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—২৬–৪৩০।
[৫]
যাঁহারা এমন এক অবস্থায় উপনীত হন, যেখানে সৃষ্টি সৃষ্ট বা স্রষ্টা নাই, যেখানে জ্ঞাতা জ্ঞেয় বা জ্ঞান নাই, যেখানে আমি তুমি বা তিনি নাই, যেখানে প্রমাতা প্রমেয় বা প্রমাণ নাই, সেখানে কে কাহাকে দেখে? এরূপ ব্যক্তি সব কিছুর বাহিরে গিয়াছেন, জাহাকে বাক্য অথবা মনও যাইতে পারে নয়া।’ এরূপ ব্যক্তি এমন স্থানে গিয়েছেন। ‘জাহাকে শ্রুতি ‘নেতি, নেতি’ বলিয়া বর্ননা করিয়াছেন। কিন্তু যাঁহারা এরূপ অবস্থা লাভ করিতে পারেন না বা এরূপ অবস্থায় যাইতে ইচ্ছা করেন না তাঁহারা সেই এক অবিভক্ত ব্রহ্মকে প্রকৃতি, আত্মা এবং ঐ উভয়ের অন্তর্যামী ঈশ্বর এই তিন রূপে বিভক্ত দেখিবেন।” — স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—১৩।
[৬]
পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুস্কৃতম্। ধর্মাসংস্থাপনার্থায় সম্ভাবামি যুগে যুগে।। চতুর্থ অধ্যায়, অষ্টম শ্লোক, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—১৬৪।
[৭]
আধ্যাত্মিক জীবনের উন্নতির পক্ষে গ্রন্থরাশি পর্যাপ্ত নয়। জীবাত্মার শক্তি জাগ্রত করিতে হইলে অপর এক আত্মা হইতে শক্তি সঞ্চারিত হওয়া আবশ্যক। স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—১৭।
[৮]
তদ্বিজ্ঞানার্থন স গুরুমেবাভিগচ্ছেৎ সমিৎপানিঃ শ্রোত্রিয়ং ব্রহ্মনিষ্ঠম্। ১/২/১২— মন্ডুকোপনিষৎ।
[৯]
নিজের মধ্যেই যদি শক্তি না থাকে, তিনি সঞ্চার করিবেন কী?।— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—২১।
[১০]
ন নরেনাবরেণ প্রোক্ত এষ সুবিজ্ঞেয়ো বহুধা চিন্ত্যমানঃ।— ১/২/৮ কঠোপনিষৎ।
[১১]
“গুরুর কৃপা হলে আর ভয় নাই। তিনি জানিয়ে দেবেন, তুমি কে, তোমার স্বরূপ কী। একটু সাধনা করলেই গুরু বুঝিয়ে দেন, এই এই। তখন সে নিজেই বুঝতে পারবে, কোনটা সৎ কোনটা অসৎ। ঈশ্বর সত্য, এ সংসার অনিত্য।” — অখণ্ড শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত, শ্রীমা-কথিত, প্রথম খন্ড, প্রকাশক স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা—৭০০০০৩। প্রথম সংস্করণ ১৯৮৬–১৯৮৭, ৪১তম পুনর্মুদ্রণ ফাল্গুন ১৪২১, মুদ্রক রমা আর্ট প্রেস, ৬/৩০ দমদম রোড কলকাতা—৭০০০৩০। পৃষ্ঠা সংখ্যা—২০০।
[১২]
যে ভক্ত হইতে চায়, তাহার জানা উচিৎ, ‘যত মত তত পথ’—তাহার জানা উচিৎ, বিভিন্ন ধর্মসম্প্রদায় একই ভগবানের মহিমার বিভিন্ন বিকাশ মাত্র।— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৩০।
[১৩]
“বিবেক, বিমোক, অভ্যাস, ক্রিয়া কল্যাণ, অনবসাদ ও অনুভবর্ষা থেকে ভক্তি লাভ করে”। স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৩২।
[১৪]
প্রথমে একটু উঠে পরে লাগতে হয়। তারপর আর বেশী পরিশ্রম করতে হবে না। যতক্ষণ ঢেউ, ঝড়, তুফান, আর বাঁকের কাছ দিয়ে যেতে হয়, ততক্ষণ মাঝির দাঁড়িয় হাল ধরতে হয়, সেইটুকু পার হয়ে গেলে আর না। যদি বাঁক পার হোল আর অনুকূল হাওয়া বইল, তখন মাঝি আরাম করে বসে হালে হাতটা ঠেকিয়ে রাখে—তারপর পাল টাঙাবার বন্দোবস্ত করে, তামাক সাজতে বসে। কামেনী-কাঞ্চনের ঝড় তুফান গুলো কাটিয়ে গেলে তখন শান্তি”। অখণ্ড শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত, শ্রীমা-কথিত, প্রথম খন্ড, প্রকাশক স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা—৭০০০০৩। পৃষ্ঠা সংখ্যা—৬১।
[১৫]
‘ত্যাগই প্রকৃত ধর্ম, যখন যখন মানবাত্মা সংসারের সমুদায় বস্তু দূরে ফেলিয়া গভীর তত্তসমূহ অনুসন্ন্ধান করে, যখন চৈতন্যস্বরূপ মানব বুঝিতে পারে, দেহরূপ জড়ে বদ্ধ হইয়া জড় হইয়া যাইতেছি এবং ক্রমশঃ বিণাশের পথে অগ্রসর হইতেছি, তখনই সে জড় পদার্থ হইতে নিজের দৃষ্টি সরাইয়া লয়—তখনই ত্যাগ আরম্ভ হয়, তখনই প্রকৃত আধ্যাত্মিক উন্নতি আরম্ভ হয়।’— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৩৯।
[১৬]
‘ঈশ্বরপ্রেম ক্রমশঃ বর্ধিত হইয়া এমন একভাব ধারণ করে, যাহাকে পরাভক্তি বলে।’— স্বামী বিবেকানন্দের, বাণী ও রচনা, চতর্থ খণ্ড, প্রকাশক—স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, ১ উদ্বোধন লেন, বাগবাজার, কলকাতা ৭০০০০৩, প্রথম সংস্করণ—২১/০৩/১৯৬৪, চতুর্থ সংস্করণ—১৩৮২, ২৬তম পুনর্মুদ্রণ বৈশাখ ১৪২১, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৪০।
[১৭]
“সর্বধর্মান্ পরিত্যাজ্য মামেকং শরনং ব্রজ”।— অষ্টাদশ অধ্যায়, ৬৬তম শ্লোক, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৫৬৬।
[১৮]
“ময্যাবেশ্য মনো যে মাং নিত্যযুক্তা উপাসতে। শ্রদ্ধায় পরয়োপেতাস্তে মে যুক্ততমা মতাঃ।” — দ্বাদশ অধ্যায়ের দ্বিতীয় সূত্র, শ্রীমদ্ভবদ্গীতা যথাযথ, সুলভ সংস্করণ, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল, অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, অনুবাদক—শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী, প্রকাশক—ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের পক্ষে শ্যামরূপ দাস ব্রহ্মচারী, প্রথম সংস্করণ ২০০৪, দ্বিতীয় সংস্করণ ২০০৭, সংশোধিত ও পরিবর্ধিত ত্রয়োদশ সংস্করণ ২০১৫, গ্রন্থ-স্বত্ব ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট প্রেস, বৃহৎ মৃদঙ্গ ভবন, শ্রীমায়াপুর ৭৪১৩১৩, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, পৃষ্ঠা সংখ্যা—৪১৬।